কর্মক্ষেত্রে অপেশাদারি ৮ অভ্যাস ত্যাগ করুন

কর্মক্ষেত্রে অপেশাদারি ৮ অভ্যাস ত্যাগ করুন

১. আলস্য
মানুষের আচরণেই অলস মস্তিষ্কের চিত্র ফুটে ওঠে। এটাকে অপেশাদারির চূড়ান্ত নমুনা বলে চিহ্নিত করেন বিশেষজ্ঞরা।
২. দেরি
বলা যায়, সব চাকরিজীবীই সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে প্রতিদিনই যুদ্ধ করেন। তবে প্রস্তুতি থাকলে অফিসে প্রতিদিনই সময়মতো পা রাখা সম্ভব। মাঝেমধ্যে দেরি হওয়াটা অপরাধ নয়। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই দেরিতে অফিসে ঢোকা নিঃসন্দেহে অপেশাদারের বৈশিষ্ট্য।
৩. আপত্তিকর দৃষ্টি
সুন্দরী সহকর্মীর দিকে একটু পরপর বাঁকা চোখে তাকানোর অর্থ আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব। কর্মক্ষেত্রে এমন কটু দৃষ্টিভঙ্গি পেশাদারদের মধ্যে দেখা যায় না। কাজেই তাকানো, কথা বলা এবং অঙ্গভঙ্গিতে সুশীল ভাব থাকাটা বাঞ্ছনীয়।
৪. অতিমাত্রায় কল্পনাপ্রবণতা
পেশাজীবীদের আশাবাদী হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এতে বাস্তবতার মিশেল থাকা পেশাদারির লক্ষণ। যাঁরা পেশাদার তাঁদের সাধারণ জ্ঞান-বুদ্ধিই বলে দেবে কোন কাজটা বাস্তবিক অর্থেই কার্যকর সম্ভব। কল্পনায় ভর করে পরিকল্পনা প্রণয়ন বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়।
৫. যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
অনেকেই যোগাযোগের যাবতীয় উপায় বন্ধ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এটাও অপেশাদারিত্ব।
৬. অসংগঠিত
যাঁদের প্রতিদিন হাজারখানেক ই-মেইল আসে তাঁরাই সম্ভবত এই তালিকাভুক্ত। ব্যবসায়ীরা বোঝেন, ক্রেতারা নিয়মিত যোগাযোগ করতে চান এবং কথা বলতে অগ্রহী। তাঁদের জন্যই কর্মীদের ই-মেইলে চোখ রাখতে বলেন। কিন্তু গোটা প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটা পেশাদারদের নিজ গরজেই গুছিয়ে নিতে হয়। একমাত্র অপরিক্বদের অবস্থাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
৭. অশোভন ভাষা
অফিসের কর্মীরা নিঃসন্দেহে শিক্ষিত ও সভ্য। জীবন ও প্রতিষ্ঠান থেকে যে শিক্ষা তিনি পেয়েছেন, তা নিশ্চয়ই ভাষায় প্রকাশ পাবে। অফিসে বন্ধুসুলভ সহকর্মীদের আড্ডাতেও অশোভন কথা প্রযোজ্য নয়।
৮. গোপনীয়তা
ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের কথা বলা হচ্ছে না। তবে সহকর্মী বা ক্লায়েন্টের কাছে যেসব তথ্য প্রকাশ জরুরি, তা গোপন রাখার পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই মনে করা হয়।
source:http://www.kalerkantho.com
It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

One thought on “কর্মক্ষেত্রে অপেশাদারি ৮ অভ্যাস ত্যাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *