প্রার্থীর মধ্যে যে ১০টি বিষয় খোঁজা উচিত নিয়োগকর্তাদের

প্রার্থীর মধ্যে যে ১০টি বিষয় খোঁজা উচিত নিয়োগকর্তাদের

প্রতিষ্ঠানের জন্যে প্রার্থী বাছাইয়ের সময় অনেক কিছুই ভাবতে হয় নিয়োগদাতাদের। ইন্টারভিউ বোর্ডের একজন প্রশ্নকর্তা হিসাবে এ নিয়ে লিখেছেন ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ লিজ রাইয়ান। তিনি লিখেছেন, একজন কর্মী আগে যে কাজ করেছেন তাই কেন আবারো করতে চান? এ প্রশ্ন করেও থাকেন তিনি। জবাবে প্রার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে পরিকল্পনার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

মূলত প্রশ্নকর্তা কোনো প্রার্থীকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন না যে, আপনার নিজের সম্পর্কে ধারণা কি? এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু চাকরিটা তার কাছে কেমন অর্থবহ তা জানতে চাওয়া কোনো সমস্যা নয়।

একবার একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার এডিটর হিসাবে কাজ করছিলেন লিজ। তিনি চাকরিপ্রার্থী বহু মানুষের কাছে একটি নিউজলেটার পাঠিয়ে তাদের মতামত জানতে চান। প্রায় দেড় শো মানুষ তাদের প্রতিক্রিয়ায় নিউজলেটারটিকে বেশ ভালো বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু ১০ জনের মতো তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন। তাদেরই চাকরির জন্যে ডাকা হয়। এদের মধ্য থেকে একজন চাকরি পায়।

যদি প্রার্থীদের মস্তিষ্কের ওপর ভিত্তি করে নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে তাদের কর্মদক্ষতা অনেক ভালো হয়ে থাকে। তাদের রিজ্যুমির চেয়ে মস্তিষ্ক অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিরক্তিকর বিষয় হলো, রিজ্যুমির অনেক কিছুই আছে যা অর্থহীন হিসাবে বিবেচিত হয়। আবার প্রার্থীর অনেক বিষয় চাকরিদাতার কাছে স্পষ্ট হতে হয়। এখানে দেখে নিন, নিয়োগকর্তারা প্রার্থীর মাঝে কি কি বিষয়ের খোঁজ করেন।

১. এমন প্রার্থীর খোঁজ করেন যারা চাকরি করতে আগ্রহী।

২. এমন প্রার্থী চান যারা চারকিটাকে খেলা হিসাবে গ্রহণ করেন। তারা এই খেলায় জয়ী হতে কৌশল অবলম্বন করেন এবং ঝুঁকি নিতে পিছ পা হন না।

৩. সেই প্রার্থীকেই খোঁজা হয় যিনি আত্মবিশ্বাসী।

৪. যে প্রার্থী নিজের চিন্তা পরিষ্কার করে তুলে ধরতে পারেন তাকেই খোঁজেন নিয়োগদাতারা।

৫. কৃত্রিমতা বর্জিত প্রার্থী চায় প্রতিষ্ঠান।

৬. সেই প্রার্থীকেই সচেতন বলে মনে করা যায় যারা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দেওয়া আগে তার সম্পর্কে নানা খোঁজ খবর করেন।

৭. এমন প্রার্থীর খোঁজ করেন সবাই যারা শিখতে আগ্রহী এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ইতিমধ্যে শিখে ফেলেছেন।

৮. প্রার্থীর সেন্স অব হিউমার খুবই জরুরি।

৯. কর্মআদর্শ ও বিশ্বস্ততা থাকাটা প্রত্যের প্রার্থীর অন্যতম শর্ত।

১০. নিয়োগকর্তারা এমন কাউকে চান যারা বস বা কর্তৃপক্ষকের প্রতি বিশ্বস্ত, কিন্তু তাদের প্রতি ভীত নন।

সূত্র : ফোর্বস

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *