ইন্টারভিউয়ে যেসব লক্ষণ বোঝায় চাকরি অনিশ্চিত

ইন্টারভিউয়ে যেসব লক্ষণ বোঝায় চাকরি অনিশ্চিত

চাকরির জন্য মুখোমুখি হতে হয় ইন্টারভিউ বোর্ডের। ইন্টারভিউ যারা নেন, তারা তৎক্ষণাৎভাবে চাকরি নিশ্চিত নাকি অনিশ্চিত তা প্রকাশ করেন না।

তবে ইন্টারভিউ ভালো হয়নি-এরকম লক্ষণ কিন্তু দেখা যায়। যার মাধ্যমে বোঝা যায় যে, চাকরিটা হচ্ছে না। সুতরাং জেনে নিন, ইন্টারভিউয়ে যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন, ইন্টারভিউ ভালো হয়নি, চাকরিটা হচ্ছে না।

* যে পদের জন্য আপনাকে নেওয়া হবে, তা নিয়ে ইন্টারভিউতে আলোচনা অনিবার্য। সেটা হলে ভালো, নইলে বুঝে নিন এ যাত্রায় আপনি চাকরি পেলেন না।

* আপনার উত্তরে কি যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তিনি মাথা নেড়ে সায় দিচ্ছেন? বা, সহমত না হলে আলোচনা করছেন? এগুলো হলে ভাল। নইলে, তিনি যদি আপনার উত্তরে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেন, তাহলে বুঝে নিন আপনি বিপদে।

* খেয়াল রাখুন কতক্ষণ ধরে ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে? সেটা খুব অল্পসময়ের জন্য হলে, বুঝে যেতে হবে, চাকরিটি হচ্ছে না।

* আপনি কেন প্রতিষ্ঠানটিকে যোগ দিতে চান, ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান-  এই টাইপের প্রশ্ন না করলে বুঝবেন ইন্টারভিউ ভালো হচ্ছে না।

* ইন্টারভিউ শেষে সাধারণত একটি হাসি বিনিময় হয়। ইন্টারভিউ ভালো হলে, সেই হাসি হয় উজ্জ্বল। কিন্তু খারাপ হলে হাসি হয় স্রেফ সৌজন্যতার কিংবা বিদ্রুপের।

* রেজিউমে পড়ছেন ইন্টারভিয়ার? তার অর্থ এই যে, আপনি যা বলছেন এবং সেখানে যা লেখা রয়েছে, তার মধ্যে বিস্তর ফারাক। এটা কিন্তু ভালো কিছু নয়।

* সামান্য কথা বলার পরেই কী আপনাকে বলে দেওয়া হলো, ‘ধন্যবাদ। আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’ ধরে নিন, সেই যোগাযোগ আর আসবে না।

* আপনার ক্ষমতা কী, তা নিয়ে একটি শব্দও খরচ করা হচ্ছে না? এক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে, ইন্টারভিউয়ার মনে করেন না, আপনার ক্ষমতা নিয়ে তার কিছু জানা প্রয়োজন। হয়তো ইতিমধ্যেই আপনি চরম কিছু ভুল করে বসেছেন।

* আপনার প্রতিটি উত্তরেই কি যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তারা পাল্টা যুক্তি খাড়া করছেন? আপনি কিন্তু তা হলে কঠিন পরীক্ষায়। কেননা, আপনাকে এবার যুক্তি দিয়ে যুক্তি কাটতে হবে। নইলে..।

* যা নিয়ে প্রশ্ন করার কথা, তার থেকে অনেক দূরের কিছু নিয়ে প্রশ্ন আসতে শুরু করেছে? এর অর্থ হলো, আপনার মধ্যে তেমন কিছু পাননি ইন্টারভিউয়ার। স্রেফ একটু সময় নষ্ট করে ছেড়ে দেবেন।

* পরপর প্রশ্ন ধেয়ে আসছে কি না, সেটা একটা বড় ব্যাপার। যদি ঠিকঠাকভাবে আসে, তা হলে ঠিকই আছে। কিন্তু যদি প্রশ্নের পিঠে প্রশ্ন চাপিয়ে দেওয়া হয়, তা হলে কিন্তু গোলমাল বুঝতে হবে। বুঝে নিন, আপনাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে। আপনি হয়তো ওভারস্মার্ট হতে গিয়েছিলেন।

* আবার প্রশ্ন খুব দেরি করে আসে, তা হলেও বিপদ বুঝতে হবে। আপনার উত্তরে তেমন সারবস্তু নেই বলেই ইন্টারভিউয়ার প্রশ্ন করতে দেরি করছেন।

* ইন্টারভিউয়ে আপনাকে আকর্ষণীয় মনে হলে, যারা নিচ্ছেন, তারা চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। আপনার চোখে চোখ রেখে কথা না বললে বুঝতে হবে সমস্যা রয়েছে।

* খেয়াল রাখুন, যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, ভাবভঙ্গি কেমন। তিনি যদি পেছনে গা এলিয়ে দেন, আপনার কথা শুনেও না শোনার ভান করেন, তাহলে বুঝে নিন যে, আপনার চাকরি হচ্ছে না।

source:www.successstory.com

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *