উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ, স্বাস্থ্য ও সফলতা

উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ, স্বাস্থ্য ও সফলতা

অনেক কিছুর সুষ্ঠু সমন্বয়ে জীবনটা উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে। সুখ, সুস্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও সফলতার জন্যে কিছু অভ্যাসের চর্চা প্রয়োজন। বহু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন সফল হতে। এখানে বিশেষজ্ঞরা সেরা কিছু অভ্যাসের কথা বলেছেন। এদের চর্চা করুন। জীবনে আসবে সুখ, স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও সফলতা।

১. দানশীলতা মানুষকে উদার করে। গবেষণায় বলা হয়েছে, অন্য মানুষকে অর্থ সহায়তা দিলে সুখের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

২. জানতে হলে মনে প্রশ্নের উদয় ঘটতে হবে। ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড লিডারশিপ বিশেষজ্ঞ পল স্লোয়ানের মতে, জানার জন্যে যত প্রশ্ন করবেন, আপনি তত বেশি সৃষ্টিশীল হবেন।

৩. ঘুম থেকে উঠে বিছানাটি নিজেই গুছিয়ে রাখুন। সুখ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্রেটেন রুবিন জানান, বিছানা গোছানোর মাধ্যমে দিনের অন্যান্য কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

৪. যেকোনো খুশির খবরে আনন্দ প্রকাশ করুন। ছোটখাটো সফলতা উদযাপন করুন। সেন্টর ফর ক্রিয়েটিভ লিডারশিপের সাবেক সিনিয়র ফেলো ডেভিড ক্যাম্পবেল জানান, প্রাপ্তি উদযাপনের মাধ্যমে পরের সফলতার দিকে এগিয়ে যায় মানুষ।

৫. আন্তরিক হাসিতে উদ্ভাসিত থাকুন। হাসি মনে সুখকর অনুভূতি দেয়। এমনকি জোর করে হাসলেও এ ঘটনা ঘটে।

৬. বস্তু নয়, অভিজ্ঞতা কিনতে অর্থ ব্যয় করুন। অভিজ্ঞতা মানুষকে সুখ দেয়।

৭. অনেক কিছুই মানুষকে অনিচ্ছা থাকার পরও করতে হয়। এতে সুখ নষ্ট হয়। তাই মাঝে মাঝেই ‘না’ বলতে শিখুন। যা করা সম্ভব নয় বা করতে আপত্তি রয়েছে তাকে ‘না’ বলে দেওয়াই ভালো।

৮. যেকোনো কাজে সফলতার অন্যতম শর্ত হলো সময়মতো উপস্থিত হওয়া। নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলিং বইয়ের লেখক গ্রেগ ম্যাককিওন জানান, সময়মতো উপস্থিত হলে যেকোনো কাজের ঝামেলা ৫০ শতাংশ কমে আসে।

৯. ইতিবাচক মানসিকতা রাখুন। সম্পর্ক ও কাজের প্রতি ইতিবাচক মানসিকতা আপনাকে সুখ দেবে।

১০. সকালে ঘুম থেকে উঠেই ইমেইল দেখবেন না। এতে ধীরে ধীরে বিষণ্নতা ভর করবে। বাড়বে অবসাদ। একটু সময় দিন। গুরুত্ব বিচারে ইমেইল চেক করুন।

১১. একযোগে একাধিক কাজ করবেন না। এতে কোনো কাজই ভালোমতো সম্পন্ন হবে না। কাজের সময় স্মার্টফোনটি দূরে রাখুন।

১২. সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। জরুরি কাজটি সবার আগে করুন। যত দেরি করে ঘুম থেকে উঠবেন তত বেশি অবসাদ ভর করবে।

১৩. প্রতিদিনের কাজে তালিকায় অন্তত ৩টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ রাখুন নিজের জন্যে। ব্যায়াম বা প্রোটিনপূর্ণ সকালের নাস্তা ইত্যাদি তালিকায় রাখুন।

১৪. সময় পেলে বই পড়ুন। অথবা প্রতিদিন ঘুমানোর আগে আধা ঘণ্টা এ কাজে ব্যয় করুন। যত পড়বেন, জীবনটা তত সুন্দর বলে মনে হবে।

১৫. গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ুন। বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। হার্ভার্ডের বিশেষজ্ঞ ও সুখ বিশারদ শন অ্যাকোর জানান, সম্পর্ক গড়ে তুললে জীবনটা অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সূত্র : এমএসএন

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *