ক্যারিয়ার গড়তে প্রাধান্য দিন আপনার জীবনের মূল্যবোধকে

ক্যারিয়ার গড়তে প্রাধান্য দিন আপনার জীবনের মূল্যবোধকে

কর্মক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই জীবনের একটি বড় অংশ অতিবাহিত করেন। যদিও কর্মক্ষেত্রে সময় দিলেও তা যদি সঠিকভাবে আপনার মনোযোগ না পায় তাহলে তাতে উন্নতির সম্ভাবনা কমে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক জরিপে দেখা যায়, দেশটির ৭০ শতাংশ নাগরিক কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হয় না। আর এর ফলে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।
কর্মক্ষেত্রে কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও সুখ। এ কারণে কর্মস্থলের বিষয়টি যদি সন্তোষজনক না হয় তাহলে তা আপনার স্বাস্থ্যের ওপরও দীর্ঘমেয়াদী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
প্রত্যেকের জীবনেরই কিছু নির্দিষ্ট মূল্যবোধ রয়েছে। এ মূল্যবোধ অনুযায়ী জীবনের নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রত্যেকের নিজস্ব ভালোলাগা কিংবা মন্দলাগা রয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে এ ভালোলাগার বিষয়টি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি নিজের ভালোলাগার বিষয়ের ওপর কাজ না করেন তাহলে কাজটি আপনার সঙ্গে সঠিকভাবে মানিয়ে চলবে না। ফলে কাজের অগ্রগতিও হবে না। এতে বরং আপনার মানসিকতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে।
আপনার হয়ত একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে। আপনি বিশ্বের মানবতার সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করেন। পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন, ক্ষুধা, দারিদ্র্য কিংবা মানবপাচার নিয়ে আপনি দুঃখ করেন। এমনটা হলে আপনার এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা উচিত যারা এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে। এছাড়া আপনি এ বিষয়গুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক জনমত তৈরি করতে কাজ করতে পারেন আবার এসব বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেও অন্যকে সচেতন করতে পারেন।
এক্ষেত্রে শুধু একটি বিষয় নয় বরং একাধিক বিষয় নিয়েও আপনি কাজ করতে পারেন। আপনি আপনার বর্তমান কাজের পরিপূরক হিসেবেও এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত হতে পারেন। এতে আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কও তৈরি হবে।
আপনার নিজের আগ্রহের বিষয়কে নিজের কাজে লাগান। এটি সে কাজের প্রতি আপনার আগ্রহকে যেমন বাড়তি প্রণোদনা হিসেবে কাজে লাগাবে তেমন সঠিকভাবে বিষয়টি ব্যবহার করতে পারলে আপনি এ কাজে অনেক বেশি সফল হতে পারবেন।
আত্মবিশ্বাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি কোনো একটি বিষয়ে আগ্রহী থাকেন এবং সে কাজটিই করেন তাহলে তা আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে। এতে আপনি সে কাজের নেতৃত্ব গ্রহণ করতেও পিছপা হবেন না। আপনার উৎপাদনশীলতাও বাড়বে। ফলে আপনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কর্মজীবনে এগিয়ে যেতে পারবেন।
নিজের আগ্রহের বিষয়ে কাজ করলে তা আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো হবে। কারণ আপনি যদি নিজের ভালোবাসার বিষয়ে কাজ করেন তাহলে তা আপনার মানসিক চাপ তৈরি করবে না। এতে আপনি আনন্দের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। আর শরীর ও মন থাকবে সুস্থ।
Source:ফোর্বস।
It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *