স্বাস্থ্যবান মানুষের ১০ অভ্যাস, যা সবারই মেনে চলা সম্ভব

স্বাস্থ্যবান মানুষের ১০ অভ্যাস, যা সবারই মেনে চলা সম্ভব

অনেকেই কঠিন কোনো ব্যায়াম বা খাবারের ক্ষেত্রে বড় সংযম ছাড়াই দেহের সঠিক ওজন ধরে রাখতে পারেন। তাদের এসব নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি মোটেই কঠিন নয়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন ১০ অভ্যাস। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
১. দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি কখনোই তারা বাদ দেন না। এক্ষেত্রে সকালের নাস্তাটিকে গুরুত্ব দিতে তারা ডিম, ফলমূল, ফাইবার ও গমের আটার জিনিস খেতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে যারা সকালের খাবার বর্জন করেন নানা কারণে তাদের দেহের ওজন বেড়ে যায়।
২. আমাদের দেহের ৬০ শতাংশই পানি। আর এ জিনিসটি আমাদের দেহের বিপাক প্রক্রিয়াতেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ বিষয়টি স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ কখনোই ভুলে না। তারা সর্বদা পর্যাপ্ত পানি পান করে, যা তাদের দেহের সঠিক ওজন বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।
৩. ঘুমের অভাবে মানুষের খাবারের চাহিদা অনেকাংশে বেড়ে যায়। আর এতে দেহের ওজনও বেড়ে যায়। তবে যারা দেহের সঠিক ওজন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে তারা সর্বদাই ঘুমকে গুরুত্ব দেয়।
৪. খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে না খেলে তা দেহে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এছাড়া ধীরে খাওয়ারও গুরুত্ব রয়েছে। এ কারণে যারা স্বাস্থ্যসচেতন তারা সর্বদাই সময় নিয়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবার খান।
৫. প্রোটিন আপনার দেহের বিপাক ক্রীয়া দীর্ঘসময় ধরে চালু রাখে। এ কারণে আপনি যখন বিশ্রাম নেন কিংবা আপনার দেহ যখন কাজ করে তখনও প্রোটিন আপনার দেহকে পুষ্টি যোগায় এবং বাড়তি ক্ষুধা থেকে দেহকে বিরত রাখে। সকালে প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস তাই ক্ষুধা কমায় এবং দেহকে সঠিক পথে চালিত করে।
৬. মরিচ শুধু ঝালই নয় এটি নানা উপকারও করে। মরিচের মাঝে থাকে ক্যাপস্যাইসিন। স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি মরিচ দেহের বিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ছাড়াও নানা ধরনের মসলা খাবারে যোগ করা হলে তা স্বাস্থ্যের উপকার করে।
৭. মানসিক চাপের কারণে দেহে কর্টিসল হরমোন নিঃসরণ বেড়ে যায়। এ হরমোনটি পেটের চর্বি বাড়িয়ে দেয়। আপনি যদি উদ্বিগ্ন কিংবা মানসিক চাপের মাঝে থাকেন তাহলে তা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব বিস্তার করবে। এ কারণে যারা দেহের সঠিক ওজন বজায় রাখতে সক্ষম হন তাদের মানসিক চাপ নির্দিষ্ট মাত্রার মাঝে বজায় রাখতে দেখা যায়।
৮. খাওয়ার পর হাঁটা আপনার দেহের ওজন বজায় রাখতে খুবই সহায়ক। আর এ কারণে বহু স্বাস্থ্যসচেতন মানুষকেই দেখা যায় খাওয়ার পর ঘুম বা বিশ্রাম বাদ দিয়ে সামান্য হাঁটাহাটি করতে।
৯. রাত আটটার পর খাবার খাওয়া মানে আপনার দেহে বাড়তি মেদ জমা হওয়া। এ কারণে যারা দেহের সঠিক ওজন বজায় রাখতে সক্ষম হন তাদের রাত আটটার মধ্যেই খাবার খেয়ে নিতে দেখা যায়।
১০. নিজের দেহের নিয়মিত ওজন মাপা স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত। আর এ কারণে বহু স্বাস্থ্যসচেতন মানুষকেই দেখা যায় নিয়মিত দেহের ওজন পরিমাপ করতে।
Source:kalerkantho
It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *